সর্বশেষবাণিজ্য

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে ১৮টি জাহাজ

ঘূর্ণিঝড় হামুন: চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে ১৮টি জাহাজ

ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাব মোকাবেলায় চট্টগ্রাম বন্দর ঘাট থেকে সব জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এরপর বন্দর থেকে পণ্য খালাসের প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে।

চট্টগ্রাম

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরের মূল্যবান যন্ত্রপাতি, কনটেইনারসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সুরক্ষিত করা হচ্ছে।ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব মোকাবিলায় মঙ্গলবার সকালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা ‘অ্যালার্ট-৩’ জারি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও পায়রা বন্দরকে ৭ নম্বর দুর্যোগ সংকেত দেখাতে বলে এ সতর্কতা জারি করা হয়।

বন্দরের ‘অ্যালার্ট-৩’ জারি হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে হবে। চট্টগ্রাম সমস্ত জাহাজ ঘাট থেকে সমুদ্রে পাঠানো হয়। চট্টগ্রাম ঝড়ের সময় প্রবল বাতাস এবং ঢেউয়ের কারণে জাহাজের আঘাতে পিয়ারটি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

জানতে চাইলে আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, জোয়ার-ভাটার সময় ২২টি জাহাজ খালি করার জন্য প্রস্তুত ছিল। চট্টগ্রাম রাত ৮টা নাগাদ ১৮টি জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। চারটি জাহাজকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। নতুন বন্দর এলাকা থেকে কোনো খালাস কাজ শুরু হয়নি। যেসব চালানের জন্য খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সেগুলো খালাস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম

1992 সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীত ঘূর্ণিঝড়-দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা অনুযায়ী, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংকেত অনুযায়ী বন্দর চার ধরনের সতর্কতা জারি করে।আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সংকেত জারি করলে বন্দর প্রথম স্তরের সতর্কতা বা ‘সতর্ক-১’ জারি করে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ৪ নম্বর সঙ্কেত জারি করলে বন্দর থেকে ‘অ্যালার্ট-২’ জারি করা হয়।

বন্দরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা ‘অ্যালার্ট-৩, ৫, ৬ এবং ৭ নম্বর দুর্যোগ সংকেতের জন্য জারি করা হয়েছে।

যদি বিপদ সংকেত ৮, ৯ এবং ১০ উপস্থিত থাকে তবে বন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা ‘অ্যালার্ট-৪’ জারি করা হয়।আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ ১২ নম্বর বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল ঘূর্ণিঝড় থেকে দুর্বল হয়ে স্বাভাবিক ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের উপকূল থেকে ১৮০ থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঝড়টি আজ রাতের মধ্যে বাংলাদেশ অঞ্চল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন

সিলেটের কিনব্রিজের সংস্কার কাজ শেষ না হওয়ায় সমস্যা বেড়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button