সর্বশেষখেলা

ম্যাচেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাক্সওয়েল একায় ২০১ রান করে অপরাজিত

কয়েকদিন আগে গলফ খেলতে গিয়ে চোট পান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ম্যাচেই ইতিহাস গড়লেন দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ২০১ রান করেন ম্যাক্সওয়েল।

ইতিহাস

পরের ম্যাচে ইতিহাস গড়ি! বড় ইনিংস খেলতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়লেও থামেননি। দীর্ঘ সময় এক পায়ে শট খেলেন, এককভাবে দলের জয় নিশ্চিত করেন।মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে আফগানিস্তান ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯৬ রান করে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১২৯ রান করেন ইব্রাহিম জাদরান। প্রথম ইনিংসে ৩৯ রানে ২ উইকেট নেন জশ হ্যাডেল।

জবাবে ৪৬ ওভার ও ৫ বলে ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচেই ইতিহাস গড়লেন দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ২০১ রান করেন ম্যাক্সওয়েল।২৯২ রানের টার্গেট খেলে ট্র্যাভিস হেডকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। ডাক পেয়েই ফিরেছেন এই ওপেনার। টিনে জোড়ো যোগো ছাড়ো মিচেল মার্শ শুরু হয়েছে। কিন্তু আপনি বেশিদূর যেতে পারবেন না। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ১১ বলে ২৪ রান করেন নবীন।

ম্যাচেই ইতিহাস গড়লেন মার্চ থেকে ফিরে ডেভিড ওয়ার্নার আর টিকতে পারেন না। উইকেটে এসে থিতু হওয়ার জন্য সময় নিয়ে ইনিংস বাড়াতে পারেন এই অভিজ্ঞ ওপেনার। সাজঘরে ফেরার আগে ২৯ বলে ৮৮ রান করেন তিনি। মার্কাস স্টইনিশ-জশ ইংলিশরাও রান পাননি। ম্যাচেই ইতিহাস গড়লেন এই দুই ব্যাটসম্যান ইতিমধ্যেই দুই অঙ্কে পৌঁছেছেন। সেই ৯১ রানে ৭ উইকেট হারায় অজিরা।ম্যাচেই ইতিহাস গড়লেন।

পরের গল্পটা শুধু ম্যাক্সওয়েলের। অষ্টম উইকেটে কামিন্সের সঙ্গে ২০২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তিনি। যেখানে কামিনের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১২ রান। বাকিটা সামলে নেন ম্যাক্সওয়েল। আবারও হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছেন তিনি।

তিন অঙ্কে পৌঁছাতে ম্যাক্সওয়েল খরচ করলেন ৭৬ বল। এরপর ১০৪ বলে ১৫০ রানের মাইলফলক ছুঁয়ে যায়। সময়ের সাথে সাথে সে আরও ধ্বংসাত্মক হয়ে ওঠে। ১৫০ থেকে ডাবল সেঞ্চুরি করতে মাত্র ২৪ বল খেলেছেন। সব মিলিয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন তিনি।

ইতিহাস

এর আগে আফগানিস্তানের ইনিংসের শুরু দেখেন দুই ওপেনার ইব্রাহিম ও রহমানুল্লাহ গুরবাজ। কিন্তু জ্যাশ হ্যাজেলউডের ডিপ লেগ দিয়ে বল মারতে গিয়ে মিচেল স্টার্কের হাতে ধরা পড়েন গুরবাজ। ফলে ২১ রান করেই দেশে ফিরতে হয় ওপেনারকে।

এরপর উইকেটে আসা নতুন ব্যাটসম্যান রহমত শাহকে নিয়ে ইনিংস মেরামত করেন ইব্রাহিম। এই দুজন মিলে তৃতীয় উইকেটে ৮৩ রান করেন। এই জুটি ভেঙেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এই জুটি ভেঙ্গেছেন গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল।রহমত লং অফ দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে জস হ্যাজেলউডের হাতে ধরা পড়েছেন ৪৪ বলে ৩০ রান করে।

চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক শাহিদির সঙ্গে আবারও ৫২ রানের জুটি গড়েন ইব্রাহিম। তবে শহীদ স্টার্কের বলে বোল্ড হয়ে ২৬ রানে শহীদের ইনিংস শেষ করেন। উইকেটে এসে আজমতউল্লাহ আক্রমণাত্মক খেলতে থাকলেন এবং খুব আক্রমণাত্মক হয়ে আউট হন। তার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান।

এরপর মোহাম্মদ নবী ১২ রান করে ফিরে গেলে রশিদের সঙ্গে ইনিংস শেষ করতে আসেন ইব্রাহিম। আফগান ওপেনার তার ইনিংসে মারেন ৩টি ছক্কা ও ৮টি চার। রশিদ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন, ৮৮ বল ও ৩৫ রান করেন। পুরো ইনিংস জুড়ে রশিদ মারেন ৩টি ছক্কা ও ২টি চার।

আরও পড়ুন

অস্ট্রেলিয়া তার আসল রূপে ফিরতে শুরু করেছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button